
বার্মিংহামের প্রবীণ কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক এম এ লতিফ জেপি (৭৮) বাংলাদেশ সময় দুপুর একটার সময় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যু অবধারিত। প্রকৃতিনির্ধরিত সময়েই মৃত্যু আসে। তবুও সমাজে কিছু মানুষের মৃত্যু মানুষকে কাঁদায়। যেভাবে আজ ১ ডিসেম্বর ২০২৫, সেমবার বৃষ্টিভেজা ভোরে এম এ লতিফ জেপির মৃত্যু সংবাদে বার্মিংহামবাসী স্তম্ভিত, শোকাহত।
সত্তরোর্ধ্ব এম এ লতিফ জেপি সুদর্শন এবং ছিলেন সুদৃঢ় মনোবল ও ব্যক্তিত্বের অধিকারী। সামাজিক রাজনৈতিক অঙ্গনে ছিল সরব পদচারণা। তাঁর মৃত্যুতে সকল মহলে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
উল্লেখ্য গত ২৭ নভেম্বর এম এ লতিফ জেপি বাংলাদেশে হার্ট এটাক করেন। সিলেটের স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এম এ লতিফ জেপি জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক রাজনীতির অভিবাবকতুল্য ছিলেন। বিগত স্বৈরাচার বিরোধী সকল আন্দোলন সংগ্রামের এক লড়াকু সৈনিক এম এ লতিফ এর মৃত্যু জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ জেলায় বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।
এম এ লতিফ জেপি বার্মিংহাম-ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস বিএনপির সভাপতি হিসেবে ১৯৯৮ সাল থেকে দীর্ঘদিন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ছিলেন যুক্তরাজ্য বিএনপি ও সুনামগঞ্জ বিএনপির সহ সভাপতি। তিনি বিগত কয়েক বছর যাবত এলাকার উন্নয়ণ এবং দুঃস্থ মানুষের সেবার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশেই অবস্থান করতেন। বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ মাল্টিপার্পাস সেন্টার, জিএসসিসহ যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন।
মরহুমের দেশের বাড়ী সুনামগঞ্জ জেলার, দিরাই উপজেলার, জগল ইউনিয়নের পুকিডহর গ্রামে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৫ মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টা সময় সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহে প্রথম জানাজা এবং দ্বিতীয় জানাযা এবং দাফন বাদ আসর মরহুমের নিজ গ্রামে অনুষ্ঠিত হইবে।






কোন মন্তব্য নেই। আপনি প্রথম মন্তব্যটি করুন। on এম এ লতিফ জেপি আর নেই: সর্বত্র শোকের ছায়া