অনতিবিলম্বে শিক্ষা আইন-২০১৬ সংশোধন  করার জোর দাবি জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম ইউরোপের নেতৃবৃন্দ 

কমিউনিটি সংবাদ

photo (1)হেফাজতে ইসলাম ইউরোপের শীর্ষ উলামায়ে কেরাম বলেছেন, ধর্মহীন জাতীয় শিক্ষা নীতির আলোকে হঠাৎ করে শিক্ষা আইন-২০১৬ পাশ করার মাধ্যমে গোটা জাতিকে ধর্মহীন ও নাস্তিক বানানোর চূড়ান্ত আয়োজন চলছে।

২৩ এপ্রিল শনিবার হেফাজতে ইসলাম ইউরোপের কেন্দ্রীয় নেতাদের এক বিশেষ বৈঠকে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এর সুপারিশের আলোকে গত ৩ এপ্রিল ২০১৬ জনমত যাচাইয়ের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত শিক্ষাআইন ২০১৬-এর খসড়া প্রসঙ্গে আলোচনার করতে গিয়ে তারা এ কথা বলেন।

নেতারা বলেন, শিক্ষানীতি ২০১০ সম্পূর্ণরূপে ধর্মহীন। তাই এর আলোকে কোন আইন এবং পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন করা হলে তা হবে ধর্মহীনতার চাদরে আবৃত। যার পরিণতিতে ক্রমেই সমাজ ধ্বংসের দিকে যাবে। অবিলম্বে শিক্ষানীতি ২০১০ ও শিক্ষাআইন ২০১৬ সংশোধন না করলে ইসলামপ্রেমী মানুষজন যেকোন কর্মসূচি গ্রহণ করতে বাধ্য হবে।

হেফাজতে ইসলাম ইউরোপের  আহ্বায়ক প্রখ্যাত আলেম মাওলানা শায়খ আছগর হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন হেফাজতে ইসলাম ইউকে এনড ইউরোপের সমন্বয়কারী মাওলানা শোয়াইব আহমদ, হেফাজতে ইসলাম ইউকের অন্যতম আহবায়ক মুফতি আবদুল মুনতাকিম, হেফাজতে ইসলাম ইউকের সেক্রেটারি মাওলানা সৈয়দ তামিম আহমদ, হেফাজতে ইসলাম ইউকের অন্যতম নেতা হাফিজ হোসেন আহমদ বিশ্বনাথী, হেফাজতে ইসলাম ইউরোপের অন্যতম নেতা মাওলানা সৈয়দ নাঈম আহমদ প্রমুখ। হেফাজত নেতারা আরো বলেন, শিক্ষা আইন-১৬ তে বিভিন্ন শ্রেণীর পাঠ্য বইয়ে মহান আল্লাহর ছেফাত, বিশ্ব নবীর চরিত্র, সাহাবাদের জীবনী ও ইসলামী মনিষীদের বিভিন্ন উপদেশমূলক লেখনি মুছে দিয়ে তদস্থলে হিন্দুদের দেব-দেবী, রাম-কীর্তন, যৌন শিক্ষা ইত্যাদি পাঠ্যভূক্ত করে কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্ছৃংখল জীবনের দিকে জোর করে ঠেলে দেয়া আয়োজন ছাড়া আর কিছু নয়। এটি ছাত্র-ছাত্রীদের হিন্দুত্ববাদ, নাস্তিক্যবাদ শিক্ষা দেয়ারই সুগভীর চক্রান্ত। আমরা সরকার ও সংশ্লিষ্ট সব মহলের কাছে অনুরোধ করব অনতিবিলম্বে শিক্ষা আইন-২০১৬ সংশোধন করুন। ইসলাম বিরোধী ধারাগুলো বাতিল করুন। বিভিন্ন শ্রেনীর জন্য প্রকাশিত বই বাজেয়াপ্ত করুন। ধর্মহীন জাতীয় শিক্ষা নীতি-২০১১ এর ২৪টি ত্রুটিপূর্ণ দিক-যা কুরআন সুন্নাহর সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক তা সংশোধন করুন। – প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *